ঢাকা আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি বাগেরহাটবাসীর, সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ সাতক্ষীরায় হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে দমানো যাচ্ছেনা হাম, ২৪ ঘণ্টায় আরো তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৮০ বান্দরবানের স্বাস্থ্য খাতের সংকট দূর করার দাবিতে মানববন্ধন অ্যাক্রেডিটেড ল্যাবরেটরি থাকলে বিদেশে চিকিৎসার খরচ কমবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিটের ১ম বর্ষপূর্তি ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের শিশুদের সুস্বাস্থ্যে মায়ের দুধের বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজধানীতে বাসার গ্রিল কেটে নারী চিকিৎসককে হত্যা চোখের স্বাস্থ্য শুধু চিকিৎসাসেবা নয়, জাতীয় উন্নয়নের বড় অংশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করে এডিএফ চট্রগ্রাম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা না বাড়াতে পারলে জাতিকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভয় নয়, হেপাটাইটিস ‘সি’ নিরাময়যোগ্য রোগ হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাম ও হামের উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে প্রবীণদের ওষুধে ভর্তুকি বন্ধ হচ্ছে: গণমাধ্যম বাংলাদেশী স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগে জাপানের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান স্বাস্থ্যসেবায় নতুন প্রযুক্তি, আকিজ মেডিপ্লেক্সে স্বয়ংক্রিয় ভাইটাল পরীক্ষা নতুনভাবে চিকিৎসাসেবা শুরু করেছে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল বিপ্লবের আদর্শকে ধারণ করে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বৈপ্লবিক সংস্কার করতে হবে

কঙ্গোয় ইবোলায় মৃত্যু ৫০০ ছাড়াল: ডব্লিউএইচ ‘র সতর্কবার্তা

কঙ্গোয় ইবোলায় মৃত্যু ৫০০ ছাড়াল: ডব্লিউএইচ ‘র সতর্কবার্তা ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গোয় (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই কম মজুরি ও কাজের খারাপ পরিবেশের কারণে ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছেন ফ্রন্টলাইন স্বাস্থ্যকর্মীরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

কঙ্গোর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত সোমবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে ইবোলায় অন্তত ৫০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১ হাজার ৫৬১ জন নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত হয়েছেন।

ডব্লিউএইচও’র ৪ জুলাইয়ের পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে। অন্যদিকে, প্রতিবেশী উগান্ডায় মৃতের সংখ্যা দুই এবং নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ২০ জনেই অপরিবর্তিত রয়েছে।

ইবোলা ভাইরাসটি শরীরের তরল পদার্থের সংস্পর্শে ছড়ায় এবং এতে রক্তক্ষরণজনিত জ্বর হয়। গত ৫০ বছরে আফ্রিকায় এই ভাইরাসে ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। ডিআর কঙ্গোয় সবচেয়ে মারাত্মক প্রাদুর্ভাবটি ঘটেছিল ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে। ওই সময় ৩ হাজার ৫০০ আক্রান্তের মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

গত ১৫ মে ডিআর কঙ্গোয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভাইরাসের ১৭তম মহামারি ঘোষণা করা হয়। এবারের প্রাদুর্ভাবটি ঘটেছে বান্ডিবুগিও ভাইরাসের কারণে। এই বিরল স্ট্রেনের কোনো প্রতিষেধক বা টিকা এখন পর্যন্ত নেই।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, এই বিরল স্ট্রেনের দুটি চিকিৎসার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে। সংস্থাটি এই ভাইরাসের প্রথম মলিকুলার ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনও দিয়েছে।

তবে কর্মকর্তারা এখনো এই প্রাদুর্ভাবের প্রথম রোগী শনাক্ত করতে পারেননি। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা সম্ভাব্য হাজার হাজার মানুষকে এখনো খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, এই ইবোলা প্রাদুর্ভাবের প্রথম মাসটি ছিল রেকর্ড অনুযায়ী সবচেয়ে ভয়াবহ। ইতুরি প্রদেশের খনি অঞ্চল মংবওয়ালুকে এই মহামারির উৎপত্তিস্থল মনে করা হচ্ছে। সেখানে মৃত্যুর উচ্চ হার (৫০.৭ শতাংশ) নির্দেশ করে যে রোগীদের প্রাথমিক ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসার সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

ধর্মঘটের হুমকি

বকেয়া ভাতা না পাওয়া এবং কাজের খারাপ পরিবেশের কারণে গত সোমবার থেকে সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মীরা ধর্মঘটের হুমকি দেওয়ায় ইতুরি প্রদেশের সংকট আরো ঘনীভূত হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এপির দেখা সরকারের কাছে পাঠানো এক নোটিশে হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে কর্মরত কর্মীরা জানিয়েছেন, প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে তারা কোনো ভাতা পাননি। এমনকি কাজের জন্য পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রীও তাদের কাছে নেই। কম বেতন, রাজধানী কিনশাসা থেকে পাঠানো দলগুলোর ‘অহংকার’ এবং স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার না দিয়ে অন্য প্রদেশ থেকে ‘অতিরিক্ত’ কর্মী নেওয়ার বিরুদ্ধেও তারা অভিযোগ করেছেন।

এই ভাইরাসটি উত্তর কিভু ও দক্ষিণ কিভু প্রদেশের কাছাকাছি অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। এই দুই প্রদেশের রাজধানী এবং বড় একটি অংশ সরকারবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠী এম২৩ এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উত্তর কিভুতে মৃত্যুর হার ৫৭.৪ শতাংশ, যা গড় হারের চেয়ে অনেক বেশি। কঙ্গোর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ একে ‘উদ্বেগজনক’ বলে অভিহিত করেছে। তবে দক্ষিণ কিভু প্রদেশে ২৬ মে’র পর নতুন কোনো রোগী নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অন্যদিকে, এম২৩ নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ গত সপ্তাহে ঘোষণা করেছে যে তাদের এলাকায় মহামারি নির্মূল করা হয়েছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : এসএএস

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ